About Me

My photo
এক অসহায় যুবককে সাহায্য করুন ভাইয়া, আমার সত্‍ মা আমাকে টাকা দিতে চায় না। কোন ভাল ইসলামী বই কিনতে ও নেট খরচ চালাতে আমার খুব কষ্ট হয়। আপনি কি আমাকে কিছুটা আর্থিক সাহায্য করতে পারবেন ? আমার বিকাশে একটা একাউন্ট আছে এই নাম্বারে 01836638195 আপনি বিকাশ চিহ্নিত যে কোন দোকানে যেয়ে আমার একাউন্টে কিছু টাকা দিতে পারেন। এর জন্য আপনার নিজের বিকাশ একাউন্ট থাকা লাগবে না। আমি বর্তমানে খুব আর্থিক সমস্যায় আছি। ডাচ বাংলা ব্যাংকে আমার একটা সেভিং একাউন্ট আছে। ঐটার ঠিকানা Name: Shafiur Rahman Farabi, Account no: 13210118551, Moulavibazar branch, Dutch Bangla Bank Limited, SWIFT CODE: DBBL BDDH, আমার মোবাইল +8801836638195

Thursday, July 12, 2012

My talk


I wish to do Hajj
 i works for islam. Please read my 1 article by click this Linkhttps://www.facebook.com/note.php?note_id=228138757199360
i wish to do Hajj but now i am in serious financial problem. are you help me ? Please send me some money at my Bank Account. Account address: Name: Shafiur Rahman farabi, Account no: 13210118551, Dutch Bangla Bank Limited, Moulavibazar Branch, post code: 3200, Swift code: DBBL BDDH, country:
Bangladesh. 
i am waiting for your reply. my cell +8801710933470. now i stay in Sylhet city in
Bangladesh. In Facebook I have an account by that email- Farabi1986@gmail.com

সামহোয়ার ইন ব্লগ, farabi2012, 19241924
আমার Facebook ID- http://www.facebook.com/farabi.shafiur.rahman
https://www.facebook.com/note.php?note_id=426668240679743ভাইয়া, একটা কথা বলি কিছু মনে করবেন না। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে PHYSICS এ HONOURS পড়তাম। কিন্তু পাস করতে পারি নাই। আমার পিতা বেচে নাই। আমার বয়স যখন ৫ বছর তখন আমার মাও মারা যায়। আমার ঘরে Step Mother, আমার সত্‍ মায়ের ব্যবহার খুব খারাপ। আপনার পরিচিত কোন পরিবার যদি islamic minded ছেলে খোজে তাইলে দয়া করে আমার কথা বলবেন। মেয়ের পরিবারের যদি কোন ব্যবসা থাকে তাইলে আমি সেই ব্যবসা দেখাশুনা করতে ইচ্ছুক। মেয়ের যদি আগে বিয়েও হয়ে থাকে তাতেও আমার কোন আপত্তি নাই। আমি আগে এই সত্‍ মায়ের/Step Mother এর হাত থেকে মুক্তি চাই। বর্তমানে আমি খুব আর্থিক সমস্যায় আছি। আমার বয়স ২৬। Please আপনি আমার ব্যাপারটা একটু দয়া করে দেখবেন। আপনি তাহাজ্জুদ নামায পড়ার সময় আমার জন্য একটু দোয়া করবেন। আমার মোবাইল 01710933470, 01836638195, লজ্জার মাথা খেয়ে বললাম, আপনি আবার কিছু মনে করবেন না।
ভাইয়া নামাযের মাঝে সিজদা সাহুর মাসলা-মাসায়েল নিয়ে একটা NOTE লেখছি। লিংক টা হল এটা
https://www.facebook.com/note.php?note_id=458724550807445

dolilsoho namazer masayel-----------mawlana abdul matin--------maktabatul azhar
nobijir namaz----------------maktabatul ashraf


ভারত বর্ষের মির্জা মাযহার সাহেব ছিলেন একজন বড় ধরনের বুযুর্গ। তবে উনি উনার কাটকাট কথার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। একদিন উনি উনার এক অনুসারীকে বললেন তোমার তো ছোট ছোট ছেলেমেয়ে আছে। তাদেরকে একদিন নিয়ে আস না আমার কাছে। তো ঐ অনুসারি তার বাচ্চাদের খুব বুঝিয়ে সুঝিয়ে একদিন মির্জা মাযহার সাহেবের দরবারে এই বলে নিয়ে আসল যে ঐখানে গিয়ে কোন দুষ্টামি করা যাবে না, চুপচাপ বসে থাকতে হবে। বাচ্চারাও মির্জা মাযহার সাহেবের দরবারে যেয়ে পিতার কথা মত মির্জা মাযহার সাহেব কে সালাম করে মূর্তির মত দরবারের এককোণে চুপ করে বসে থাকল। কিছুক্ষন পর মির্জা মাযহার সাহেব তার ঐ অনুসারীকে জিজ্ঞাস করল – “ কই তোমার বাচ্চারা কই? ” অনুসারি বলল হুজুর এরা তো একটু আগেই আপনাকে সালাম করে ঐখানে চুপ করে বসে আছে। তখন মির্জা মাযহার সাহেব বললেন – “ তুমি তো তোমার বাপকে আমার কাছে নিয়ে এসেছ। এরা তো তোমার বাপ। এরা যদি তোমার বাচ্চা হত তাইলে এরা কেউ আমার দাঁড়ি ধরে টান দিত, কেউ আমার কোলে বসত, কেউ আমার টুপি নিয়ে যেত। বাচ্চাদের স্বভাব এমনি হয়ে থাকে। এরা তো তোমার আব্বা হয়ে বসে আছে। ” আমি তো তোমার বাপকে দেখতে চাইনি, আমি তোমার বাচ্চাদের দেখতে চাইছিলাম।

খলিফা হারুনুর রশিদ একবার তার মন্ত্রী পরিষদ নিয়ে ভ্রমনে বের হয়েছিলেন। এক বৃদ্ধকে দেখলেন বাগানে বীজবপন করছে। খলিফা তখন ঐ বৃদ্ধকে জিজ্ঞাস করল কিসের বীজ বপন করছেন ? বৃদ্ধ জবাব দিল খেজুর গাছের। খলিফা হারুনুর রশিদ বললেন খেজুর গাছের বীজ থেকে ফল হতে ২০-২৫ বছর লাগে। আপনার এক পা কবরে চলে গেছে আর আপনি ২০ বছর পরের ফলের কথা চিন্তা করছেন। বৃদ্ধ লোকটি হেসে জবাব দিল সব বৃক্ষ রোপনকারি যদি এই কথা চিন্তা করত তাইলে আমরা একটা খেজুরও খেতে পারতাম না। খলিফা বৃদ্ধের যুক্তিসঙ্গত উত্তর শুনে বললেন হ্যা তুমি ঠিক বলেছ। খলিফা হারুনুর রশিদের একটা অভ্যাস ছিল কার কথায় উনি সন্তুষ্ট হলে তাকে ১০০০ স্বর্ণ মুদ্রা দিতেন। ফলে খলিফা হারুনুর রশিদের উজির ঐ বৃদ্ধকে ১০০০ স্বর্ণ মুদ্রা দেয়। এর কিছুক্ষন পর বৃদ্ধ এসে বলল অন্যদের লাগান বীজ ২০-২৫ বছর পর ফলদার হয় আর আমার বীজ এই মূহুর্তে ফলদায়ক হয়ে গেল! তখন খলিফা হারুনুর রশিদ বলল হ্যা তুমি ঠিকই বলেছ। ফলে ঐ বৃদ্ধ আরো ১০০০ স্বর্ণ মুদ্রা পায়। কিছুক্ষন পর ঐ বৃদ্ধ আবার এসে বলে অন্যদের লাগান বীজ তো বছরে একবার ফলন দেয় আর আমার লাগান বীজ মুহূর্তের মধ্যে দুবার ফল দিয়ে দিল। তারপর খলিফা হারুনুর রশিদ বলে হ্যা তোমার এই কথাও ঠিক। পরে খলিফা হারুনুর রশিদ উনার মন্ত্রীপরিষদকে বলল দ্রুত চলতে, তা না হলে ঐ বৃদ্ধ তার কথার মারপ্যাঁচে পুরো রাজকোষাগার লুটে নিবে।
ভাই মন খুব খারাপ, সৎ মা অনেক গালিগালাজ করছে। আপনি তাহাজ্জুদের নামায পড়ে আমার জন্য দোয়া কইরেন।
আল্লাহ সুবহানাতায়ালার ৯৯ বা ১০০ টা নাম হাদীস শরীফে আছে। এর মাঝে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার অনেক গুলি নাম বিপরীত গুণবাচক। যেমন আদ দাররু নামের অর্থ হল
ক্ষয় ক্ষতি যার ইঙ্গিতে হয়ে থাকে, ইয়া মুযিল্লু নামের অর্থ হল অপমান কারী, আল মুনতাকিমু মানে হল প্রতিশোধ গ্রহনকারী আবার আল মুমিয়তু মানে হল মৃত্যু দানকারী। অর্থ্যাৎ কাউকে হেদায়াত দান করেন আল্লাহ আবার কাউকে গোমরাহী করেনও আল্লাহ সুবহানাতায়ালা। হেদায়াত ও গোমরাহী, আলো ও অন্ধকার উভয়টির সৃষ্টিকর্তা হল আল্লাহ সুবহানাতায়ালা। এই জন্য শয়তান স্বপ্নের মাঝে যে কোন আকৃতি ধারন করে নিজেকে আল্লাহ বলে পরিচয় দিতে পারে। শয়তান কে এই কাজ করতে নিষেধও করা হয় নি। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন শুধু রহমতের প্রতীক। সুরা আম্বিয়ার ১০৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে আল্লাহ শুধু রহমত হিসাবেই দুনিয়ায় প্রেরন করেছেন। এমনকি জিহাদের ময়দানে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অস্ত্র হাতে নিয়ে কোন কাফের কে হত্যা করার অনুমতি ছিল না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সারা জীবন কোন যুদ্ধ ক্ষেত্রেই কোন কাফের কে সরাসরী হত্যা করেন নি। কারন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন শুধু রহমতের প্রতীক। এইজন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চেহারা কখন আলো ও অন্ধকারের মিলনস্থল হতে পারে না। এই জন্য শয়তানের পক্ষে স্বপ্নে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আকৃতি ধারন করে বা অন্য কোন আকৃতি ধারন করে নিজেকে আল্লাহর রাসুল বলে পরিচয় দেয়া সম্ভব নয়। শয়তান কে এই ক্ষমতাও দেয়া হয় নি। তাই কেও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে স্বপ্নে দেখলে সে সত্যিকার ভাবেই আল্লাহর রাসূল কে স্বপ্নে দেখেছে। তাবেঈন থেকে শুরু করে ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম হাম্বলী, ইমাম বুখারী এবং এরকম আরো হাজার হাজার বুযুর্গ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে স্বপ্নে দেখেছেন। উনারা উনাদের ছাত্র ও অনুসারী দের কেও এই স্বপ্নের কথা গুলি বলেছেন। প্রাচীন সীরাত গ্রন্থে এরকম অনেক হৃদয়গ্রাহী বর্ণনা পাওয়া যায়। খোদ আমাদের ভারত বর্ষেও অনেক বুযুর্গ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে স্বপ্নে দেখেছেন। যেমন দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা কাসেম নানুতবী রাহমাতুল্লাহ আলাইহি, তাবলীগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াস আলী রাহমাতুল্লাহ আলাইহি, ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের প্রথম খতীব মাওলানা মুফতী সৈয়দ আমীমুল এহসান রাহমাতুল্লাহ আলাইহি, মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রাহমাতুল্লাহ আলাইহি, শায়খুল ইসলাম হযরত হুসাইন আহমদ মাদানী রাহমাতুল্লাহ আলাইহি এরকম আরো অনেকেই। উনাদের এই ঘটনা গুলি উনাদের জীবনীতেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখন আপনি যদি বলেন  রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে স্বপ্নে দেখা যায় না তাইলে আপনি এই হাজার হাজার বুযুর্গ কে মিথ্যাবাদী বললেন।
[ তথ্যসূত্রঃ স্বপ্নযোগে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, লেখক মাসিক মদীনা পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দিন খান]

বাংলা ভাষায় নাস্তিকতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভাল ওয়েবসাইট টা হল এটা www.shodalap.org
সবাই কে সদালাপে ঘুরে আসার নিমন্ত্রণ জানালাম।


ratulbd@gmail.com
·                                  
আপনি আমার রবি নাম্বার 01836638195 এ ২০ টাকা দিতে পারবেন ? আমার পিতা মারা গেছে। তাই একটু অভাবে আছি।
ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাংলাদেশের প্রান্ত হতে আপনাকে হাজার সালাম!
ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার পিতা মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক
সহীহ বুখারী,৮ম খন্ড,পৃষ্ঠা ৪০১
হাদীস ৪৭২৫

No comments:

Post a Comment